আইবিএ-র এমবিএ যারা দেশে থাকতে চান তাদের জন্য সবচেয়ে ভাল অপশন। দেশে চাকরি করার জন্য আইবিএ-র এমবিএ করার থেকে ভাল কোন অপশান নেই।
কাদের
জন্য: আসলে হওয়া উচিৎ কাদের
জন্য নয়?? আপনি যেকোন ব্যাকগ্রাউন্ডেরও হোন কোন সমস্যা নেই। বাংলা পড়ুন বা ইতিহাস পড়ুন, বিজনেস পড়ুন বা
ইন্জিনিয়ারিং পড়ুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুন বা বুয়েটে পড়ুন আপনার
ব্যাচেলর ডিগ্রী থাকলেই পরীক্ষা দিতে পারবেন। একটা মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট আছে যেটা সবাই মিট করে।
কেন আইবিএ-র এমবিএ: আপনি যদি দেশে সরকারী চাকরিতে গিয়ে ঘুষ খাইতে না চান বা আপনার কোন মামা-চাচা আপনাকে চাকরি দেওয়ার মত এরকম কেউ নাই আর বিজনেস করারও ইচ্ছে বা ক্যাপিট্যাল না থাকে, তাহলে দেশে থেকেই ভাল চাকরি করে মিডলক্লাস বা আপার-মিডলক্লাস লাইফ লিড করার জন্য আইবিএ-র এমবিএ-র কোন বিকল্প নেই। আইবিএ-র এমবিএ করে আপনি মোটামোটি ভাল প্লেসমেন্টের নিশ্চয়তা পাবেন। এখানে দুধরণের এমবিএ আছে। রেগুলার আর এক্সিকিউটিভ। এক্সিকিউটিভ এমবিএ-তে তিনবছরের চাকরির অভিজ্ঞতা লাগে। তবে এক্সিকিউটিভের এডমিশান টেস্ট একটু ইজি হয়। কোন ম্যাথ পার্ট থাকেনা। চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে এক্সিকিউটিভে যাওয়াই ভাল। নাহয় রেগুলারটাতে যাবেন। এক্সিকিউটিভে অবশ্য (মনে হয়) টাকাও অনেক বেশি লাগে। রেগুলারে টাকা তেমন খরচ হয়না।
কেন আইবিএ-র এমবিএ: আপনি যদি দেশে সরকারী চাকরিতে গিয়ে ঘুষ খাইতে না চান বা আপনার কোন মামা-চাচা আপনাকে চাকরি দেওয়ার মত এরকম কেউ নাই আর বিজনেস করারও ইচ্ছে বা ক্যাপিট্যাল না থাকে, তাহলে দেশে থেকেই ভাল চাকরি করে মিডলক্লাস বা আপার-মিডলক্লাস লাইফ লিড করার জন্য আইবিএ-র এমবিএ-র কোন বিকল্প নেই। আইবিএ-র এমবিএ করে আপনি মোটামোটি ভাল প্লেসমেন্টের নিশ্চয়তা পাবেন। এখানে দুধরণের এমবিএ আছে। রেগুলার আর এক্সিকিউটিভ। এক্সিকিউটিভ এমবিএ-তে তিনবছরের চাকরির অভিজ্ঞতা লাগে। তবে এক্সিকিউটিভের এডমিশান টেস্ট একটু ইজি হয়। কোন ম্যাথ পার্ট থাকেনা। চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে এক্সিকিউটিভে যাওয়াই ভাল। নাহয় রেগুলারটাতে যাবেন। এক্সিকিউটিভে অবশ্য (মনে হয়) টাকাও অনেক বেশি লাগে। রেগুলারে টাকা তেমন খরচ হয়না।